গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৪ এ ০২:২১ PM
কন্টেন্ট: জীবন বৃত্তান্ত
উত্তর জনপদের প্রবেশদ্বার ও রাজধানী খ্যাত জেলা বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের ওয়েব সাইটে আপনাকে স্বাগতম জানাতে পেরে আনন্দিত এবং নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি।১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠার পর শজিমেক অনেক চিকিৎসক, সার্জন, মেডিকেল গবেষক, চিকিৎসা বিজ্ঞানী, মান সম্মত মেডিকেল শিক্ষক গড়ে তুলেছে যারা দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পাশা পাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এই প্রতিষ্ঠানটি কে আন্তর্জাতিক মানের সেরা অত্যাধুনিক বহুমুখী বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ হাসপাতাল রূপে গড়ে তোলার পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে। দরিদ্র জনসাধারণের হাতের নাগালে সরকার ঘোষিত স্মার্ট বাংলাদেশের স্মার্ট স্বাস্থ্য সেবার সামগ্রিক পরিষেবা পৌঁছানো হবে, এটা আমাদের অংগীকার।
শজিমেক সর্বদা দেশে আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা শিক্ষা, গবেষণা কার্যক্রম এবং মান সম্মত আধুনিক স্বাস্থ্য সেবা প্রদানে প্রতিশ্রুতি বদ্ধ। বর্তমানে মেডিকেল কলেজটিতে প্রতিবছর ২০০ জন ছাত্রছাত্রী ভর্তি অনুমোদন রয়েছে। বর্তমানে এমবিবিএস কোর্সে ৮৬০ জন দেশী এবং ১৩ জন বিদেশী এবং স্নাতকোত্তর কোর্সে ৬৬ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত আছে।
মানসম্মত অত্যাধুনিক চিকিৎসা উপাদান এবং দেশী বিদেশী প্রচুর সংখ্যক বই, হাজার হাজার প্রাসঙ্গিক বই, আন্তর্জাতিক ইনডেক্স জার্নাল সমৃদ্ধ একটি চিত্তাকর্ষক গ্রন্থাগার আমাদের এই প্রতিষ্ঠানটিকে সমৃদ্ধ করেছে। কলেজ ক্যান্টিন ও ছাত্র ছাত্রীদের ডাইনিং এ মান সম্মত স্বাস্থ্য কর খাবার পরিবেশনের ব্যবস্থা রয়েছে।
এই ইনস্টিটিউটের একাডেমিক কার্যক্রম ও সার্বিক উন্নতির জন্য আমি স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি বিভিন্ন অনুষদ, শিক্ষার্থী এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বাত্মক সমর্থন ও সহযোগিতা পেয়ে আসছি।
আমি আশাকরি, শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল শুধুমাত্র এই অঞ্চলের জন্য নয়, জাতীয় পর্যায়েও স্বাস্থ্যখাতে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
আমি প্রতিটি ক্ষেত্রের সমর্থনওসহযোগিতায় ভবিষ্যতের উন্নয়নে এই প্রতিষ্ঠানের সাফল্য কামনা করি।
অধ্যাপক ডা. মোঃ ওয়াদুদুল হক তরফদার
এমবিবিএস, ডি-কার্ড, এমএস( অর্থো-সার্জারি)
অধ্যক্ষ